Home / জাতীয় / কবি ভবন চেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি-রীনা পারভীন

কবি ভবন চেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি-রীনা পারভীন

received_1678295915778740

ধূমকেতু অনলাইন ডেস্কঃকবি ভবন চাই,

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (বঙ্গোত্তম) ঢাকার যে কোন প্রাকৃতিক পরিবেশ এর কোল ঘেঁসে একটি বহুতলবিশিস্ট কবি ভবন চাই!  বাংলার বিভিন্ন জেলায় সাহিত্য সংগঠনে জড়িত আছেন অনেক প্রতিভাপন্ন কবি সাহিত্যিকগণ তাদের বসবার জন্য কোন নিদৃষ্ট জায়গা নেই,সুবিধাবন্চিত সকল কবি সাহিত্যিক লেখক সাহিত্য অঙ্গন ও বাংলাদেশ কবি পরিষদের পক্ষ থেকে আকুল আবেদন—–
প্রমথ চৌধুরী বলেছেন,”উদরের দাবি রক্ষা না করলে যেমন মানুষের দেহ বাঁচে না
তেমনি মনের দাবি রক্ষা না করলে মানুষের
আত্মা বাঁচে না”|
আর সেই আত্মাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য চাই
সাহিত্য,ও সাহিত্যচর্চা আর সেই চর্চা করার জন্য চাই একটি নিদৃষ্ট জায়গা| যেখানে বাংলার দুরান্ত র্দুবার কলমযোদ্ধারা এক জায়গায় এসে একত্রিত হয়ে নিজেদের মধ্যে
আলাপ আলোচনা করতে পারবে | সাহিত্যচর্চাকে বেগবান ও তরান্বিত করার জন্য সেমিনার,সিম্পোজিয়াম করতে পারবেন|
বিখ্যাত কবি সাহিত্যকদের জন্মদিন,মৃতুদিন
উজ্জাপন করতে পারবেন |দূর দুরান্ত থেকে আগত কবি সাহিত্যিকগন তাদের এ প্রাণের
কবি ভবনে দু’দিন থাকতে পারেন,এমন একটি কবি ভবন চাই |
হে বিদ্যুৎসাহী ও সংস্কৃতিবান্ধব জননেত্রীঃ
এমন একটি কবি ভবন চাই ,যেখানে একটি
সুপরিসরে লাইব্রেরী থাকবে,বিখ্যাত কবি সাহিত্যিকদের বই থরে থরে সাজানো থাকবে| পাশা পাশি বর্তমান কবি সাহিত্যিকদের প্রকাশিত বই সাজানো থাকবে
এমন একটি নন্দনতত্ব ও কাব্যকলা চাই,আগামী প্রজন্ম যেখানে মননশীলতায় ও সৃষ্টিশীলতায় বেড়ে উঠতে পারে |
প্রমথ চৌধুরী “বই পড়া” প্রবন্ধে বলেছেন,”দেহ রক্ষা অবশ্য সকলেরই কর্তব্য
কিন্তু আত্মরক্ষাও অকর্তব্য নয়| মানবের ইতিহাসের পাতায় পাতায় লেখা রয়েছে যে,
মানুষের প্রাণ মনের সন্পর্ক যত হারায় ততই
তা দুর্বল হয়ে পড়ে| মনকে সজাগ ও সবল রাখতে না পারলে জাতির প্রাণ যথার্থ স্ফৃর্তিলাভ করে না; তার পর যে জাতি যত নিরানন্দ সে জাতি তত নির্জীব|এক মাত্র আনন্দের স্পর্শেই মানুষের মনোপ্রাণ সজীব,সতেজ ও সরাগ হয়ে উঠে| সুতারাং সাহিত্যচর্চার আনন্দ থেকে বন্চিত হওয়ার অর্থ হচ্ছে জাতির জীবনী শক্তি রাহ্র করা|
অতএব ,কোন নীতির অনুসারেই তা কর্তব্য
হতে পারে না| অর্থনীতির ও নয়, ধর্মনীতির
নয় “|
অতএব,
কাব্যামৃতে অরুচি ধরানো যাবেনা, যে যাই বলুন না কেন সাহিত্যচর্চা ছাড়া জাতির উন্নতি কল্পনা করা যায় না |আর আমাদের এ জাত সত্যিকারের মানুষ হবে সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে সে জন্য একটি সুনন্দর
কবি ভবন চাই|
পরিশেষে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় আগামী প্রজন্ম জাতে অবাধে বিচরন করতে পারে সে জন্য একটি নান্দনিক কবি ভবন চাই|
প্রমথ চৌধুরীর একটি উক্তি দিয়ে আমি শেষ করতে চাই,”যে জাতির জ্ঞানের ভান্ডার শূন্য,সে জাতি ধনের ভাঁড়েও ভবানী”|

বিনীত নিবেদক
রীনা পারভীন
এডমিন
বাংলাদেশ কবি পরিষদ

About Khorshed Alam

আরও দেখুন

50299899_589956284750796_920428091581399040_n

আরব আমিরাতে দৈনিক যুগান্তরের ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত।

আরব আমিরাতে দৈনিক যুগান্তরের ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত। মোহাম্মদ মনির উদ্দিন মান্না:- সাহসী অভিযাত্রা দুই …

9 comments

  1. ইলিয়াছুর রহমান রুশ্নি।।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি___________
    ==========================================
    আপনার বিশাল হৃদয়ে এদেশের গনমানুষের প্রতি যে মমত্ববোধ রয়েছে
    তা আমি এখানে প্রাসঙ্গিক করতে চাই না, কারন এ দেশের জনগনও আপনার পালস্ রিড করতে পারেন।
    তবু শুধু কর্ম ব্যস্ততার মাঝে দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য এ দেশ, এ সমাজের বিবেক বলে খ্যাত কবি সাহিত্যিকদের সাম্প্রতিক দাবীটির জন্য আমি আকুতি জানাচ্ছি কবিদের জন্য তথা সাহিত্য সংষ্কৃতির অব্যাহত বিকাশ ধারাবাহিক রাখতে একটি ভবনের ব্যবস্হা করে দিন। আপনি ইতিমধ্যে আপনার মহান কাজের মাঝে কীর্তিমান, মহান হয়েই আছেন। বঙ্গোত্তম শেখ হাসিনা দীর্ঘজীবি হউন।
    “অসির চেয়ে মসিই শক্তিধর,
    অবহেলিত কেন আজ সেই মসির কারিগর?
    কবিরা সমাজের বুদ্ধি বিবেচনা,বিবেক
    অবেহেলায় আর নয়, বুঝে নাও এই আবেগ।
    আজ কবিদের প্রাণের দাবী তাই,
    কবিদের একটি ঠিকানা- ‘কবি ভবন চাই”’।

  2. ইলিয়াছুর রহমান রুশ্নি।।

    ।।সবার দৃষ্টি আকর্ষনপুর্বক একটি আবেদন।।
    ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

    কবি,সাহিত্যিকদের জন্য আলাদা একটি ভবন চাই,এটি ইদানিং প্রবলভাবে উচ্চারিত একটি জনপ্রিয় শ্লোগান ।
    কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে কোন কোন মহল বা ব্যক্তি বিশেষের পক্ষ থেকে বিষয়টি এমনভাবে উপস্হাপন করা হচ্ছে যেন এটি একটি গর্হিত দাবী। আমি বিনয়ের সাথে তাদের সঙ্গে দ্বিমত পোষন করছি।
    আমাদের দেশে প্রায় প্রত্যেক শ্রেনীর পেশাজীবিদের নিজস্ব একটা ঠিকানা আছে। এক্ষেত্রে কবি,সাহিত্যিকদের জন্য আলাদা একটি ভবনের দাবীটা কেন অযৌক্তিক বিবেচিত হবে তা আমার বোধগম্য নয়। কবি,সাহিত্যিকদের জন্য আলাদা একটি ভবন কোনভাবে কি ক্ষতিকারক?
    কবি,সাহিত্যিকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে শিল্পকলায় যান, বাংলা একাডেমীতে যান ইত্যাদি। অর্থাৎ যাযাবর হয়েই থাক। বর্তমানেতো তাই ঘটছে। কবি,সাহিত্যিকদের কোন অনুষ্টান করতে হলে এখানে ওখানে দৌড় ঝাপ করতে হয়। নিজস্ব ভবন থাকলে আপন মহিমায় অবাধ বিচরন নিশ্চিত হবে।
    তৃনমূলের কবি,সাহিত্যিকদের স্বীকৃতি জন্যও এক ধরনের সহানুভূতি এবং হাহাকারও পরিলক্ষিত হচ্ছে।
    আমার প্রশ্ন কবি,সাহিত্যিকদের জন্য আলাদা একটি ভবন না হলে কি তৃনমূলের কবি,সাহিত্যিকদের স্বীকৃতি মিলবে? হ্যাঁ তবে বিষয়টির প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে যাতে প্রতিভার অপমৃত্যু না হয়। এ জন্য একটি নীতিমালা প্রনয়ন করতে হবে যাতে তৃনমুল থেকে কবি সাহিত্যিকদের বাচাই করে স্বীকৃতি দেয়া যায়।
    আশংকা করা হচ্ছে,যদি কবি,সাহিত্যিকদের জন্য আলাদা ভবন হয় তা গুটিকতেক স্বার্থান্বেষীরাই চর দখলের মতই ভোগ দখল করবে। আমি বিশ্বাস করি, সচেতনতা এবং আদর্শিক ঐক্য থাকলে সব অশুভকেই জয় করা যায়।
    চড়ুই পাখী আর বাবুই পাখীর কাহিনীটাতো আমাদের সবারই জানা আছে। চড়ুই পাখীর মত অট্টালিকায় (পরের ঘরে) না থেকে বাবুই পাখীর মত রোদ বৃষ্টি ঝড়ে নিজের ঘরে থাকবো। আসুন বিভেদ না করে একজোট হয়ে কবি,সাহিত্যিকদের জন্য আলাদা একটি ভবন চাই এ দাবীতে সোচ্চার হই।
    এ আন্দোলনে প্রতিষ্টিত কবি সাহিত্যিকদেরও সম্পৃক্ত করা হউক।

  3. ইলিয়াছুর রহমান রুশ্নি।।

    বিন্দু থেকে সিন্দু সৃষ্টি হয়। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বর চিৎকারে পরিনত হয়। আজকে সময়ের প্রয়োজনে ‘কবি ভবন চাই’ যে দাবী উচ্চকিত, উচ্চারিত হচ্ছে আসুন তাকে আরো বেগবান করে সাফল্যমন্ডিত করি।
    কবি, সাহিত্যিকরা হচ্ছে সমাজের বিবেক। বিবেকের এ বিপন্নতা, অস্তিত্বহীনতা রোধে ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। যারা অঙ্কুরেই এর বিরোধীতায় নেমেছেন তাদের প্রতি আকুল আবেদন এই অহেতুক বিতর্ক এড়িয়ে চলুন।
    যদি আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে কবি ভবন হয় তাহলে আপনারাও এর অন্তর্গত এবং অন্তর্নিহিত প্রাণ শক্তি হিসেবে বিরাজমান থাকবেন। আপনারা এ মহতি উদ্দ্যোগে অপশক্তি হবেন না এটাই প্রত্যাশা করছি।

  4. ইলিয়াছুর রহমান রুশ্নি।।

    কবি ভবন চাই এ দাবীর স্বপক্ষে করনীয়:-
    ==============================

    ১) নবীন ও প্রবীন কবি সাহিত্যিকদের সমন্বয়ে এখনই একটি কমিটি করতে হবে যারা সার্বিকভাবে এ আন্দোলন মনিটর ও সংগঠন করবে।
    ২) বেশী বেশী করে মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষন করতে হবে।
    ৩) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের আয়োজন করে কবি ভবনের যৌক্তিকতা তুলে ধরতে হবে।
    ৪) বর্তমানে সংসদ অধিবেশন চলছে। এমতাবস্হায় কোন বেসরকারী সাংসদকে দিয়ে আমাদের দাবীর আলোকে এবং সপক্ষে একটি বেসরকারী বিল আনার উদ্দ্যোগ নিতে হবে।
    ৫) চুড়ান্ত পর্যায়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ প্রার্থী হয়ে স্মারকলিপি দেয়ার ব্যাবস্হা করার কথা ভাবতে হবে।
    ৬) ঐক্য যেন অটুট থাকে, তা লক্ষ্য রাখতে হবে। দ্বিমত পোষন কারীদের সাথে দুরত্ব কমানোর জন্য গ্রুপ সভা করার ব্যবস্হা করতে হবে,ইত্যাদি।

  5. ইলিয়াছুর রহমান রুশ্নি।।

    ।।কবি ভবন যেন পাই।।
    -ইলিয়াছুর রহমান রুশ্নি।।
    (০৮-১০-২০১৬)
    ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

    মেঘে ঢাকা আকাশে, আড়াল করা রবির আলো,
    উদ্ভাসিত,আলোকিত বিদুরিত হোক আঁধার কালো।
    বেওয়ারিশ,যাযাবর,লক্ষ্যবিহীন পথ চলা,
    আমরাতো কবি,সাহিত্যিক অবিচ্ছদ্য এক শিল্পকলা।
    চিকিৎসক,প্রকৌশলী সবারই আছে গন্তব্য,আর ঠিকানা,
    আমাদের কেন অবহেলায়, থাকবে ঠিকানা অজানা?
    কবি,সাহিত্যিকরা ঠিকানাবিহীন, লক্ষ্যবিহীন নয়,
    অবিচল থেকো আন্দোলনে,সংগ্রামে, হবে হবেই জয়।
    উদারতা দিয়ে তিরোহিত করবো সকল কদর্যতা,
    দুর্জনের ভাবনা আমাদের নয়, চির উন্নত থাকুক মহানুভবতা।
    সৃষ্টি সূখের উল্লাসে মোদের, ভাবনাগুলো হাসবে,
    না পাওয়ার বেদনা ভুলে, সূখের তরী ভাসবে।
    আর নয় অবহেলা,আমরা বিবেক, মসির করিগর,
    হৃদয়ের উদ্দ্যানে ফুটুক শতদল, সব সুন্দর।
    চড়ুই পাখীর মত পরের ঘরে নয়, বাবুই পাখীর বাসা চাই
    তাই,পরধীনতায় নয়, স্বাধীনতায় পথ চলবো ভাই।
    নিন্দুকেরা যাই বলুক, আমাদের একটা ঠিকানা চাই, চাই,
    দাবী মোদের একটাই, কবি ভবন যেন পাই।

Leave a Reply