Home / Khorshed Alam

Khorshed Alam

ফোরাতের নয়া রুপ নাফ- সালিম আল-দ্বীন

ফোরাতের নয়া রুপ নাফ

fb_img_1480205087635
সালিম আল-দ্বীন

(উৎসর্গ:নিষ্পেষিত রোহিঙ্গা মুসলিমদের উদ্দেশ্যে)

’থ’ মেরে কুঞ্চিত অবয়বে বসে আছে প্রভাতী পাখিটি,
হাজার বছরের বেদনা চেপে আছে যেন ওর মাথায়,
পাখিটির নিরবতায় হাসতে ভুলেছে আজ প্রভাতী রোদ,
যোজন যোজন দূর থেকে ভেসে আসছে কান্নার করুন সুর।

কি করে সইব আজ পোষা পাখির সুরের এ বঞ্চনা!
প্রভাতবেলায় যার সুমধুর সুরের মূর্ছনায়,
আমার কেটে যায় সারাবেলা প্রসন্নতায়!
বুক ভেরে নিই নিশ্বাস পাখির আঁখির পাথারে চেয়ে,
ঐ চক্ষু দরিয়ার তাঁরার সীমানায় শুভ্র চরে দাড়িয়ে।

কিন্তু আজ কেন এমন হল!
লাল আর লালের দুর্বৃত্তায়নে উবেছে আঁখির নীল,
পাখির চক্ষু সৈকতে হাঁটতে এসে আজ কাঁদছে আমার দীল।

একি দেখছি,চোখে বাঁধ মানে না জল!!
মানুষরুপী হিংস্র হায়েনা,কুকুর,শকুনদের দল,
খুবলে খুবলে খাচ্ছে মানুষের মাংস রক্ত জল,
এখানে সেখানে পড়ে আছে মস্তক,কলিজা,গুর্দা
ও আল্লাহ খুলে দাওনা বর্বরদের হেদায়েতের পর্দা।

হায় হায়!! নির্যাতিতরা নিরুপায়,
জলপথে বিদেশে পালিয়ে প্রাণ বাঁচানো আর হয় না,
বর্বরদের লাভামুখে ফিরতে হয় ফের,প্রাণে যে সয় না,
নিরপরাধীর কলিজা চিবায় এ কোন সিমারের সিমার,
নিহত লাশের স্তুপে আজ লালে লাল জলাধার।

নিশ্চয়, আঁখি সৈকতে পথ ভুলে এসেছি ফোরাতের কূলে,
ঐ তো সীমারের তরবারী চলে হোসেনের গলে,
আজগর, কাসেমদের রক্তে ফোরাত হায় হায় কান্দে,
উহ! সইব কেমনে!!

মনে সংশয়ও হয়, বোধ হয় এটা ফোরাত নয়।

এজিদেরা ছিল কি এত্ত বর্বর রাহে?
হয়ত আঁখির সৈকতে হাঁটতে হাঁটতে এসেছি কোন গ্রহে,
যে গ্রহের মানুষরুপী এলিয়ানরা খুনাখুনি ভালবাসে,
মানুষেরা যেমন পৃথিবীতে নি:শ্বাস নিয়ে হাসে।

দ্বিধার মাঝেই পাখির চোখে রক্তঅশ্রু ঝরতে দেখলাম…
ঝাঁকে ঝাঁকে রক্তের আশ্রুস্রোত বেয়ে শব্দরা নামছে,
তীক্ষ্ণ মেজাজে কটাক্ষের সুরে আমায় বলছে,
’আমরা রোহিঙ্গা মুসলিম সত্যাশ্রয়ী জাতি-
আমাদের আহাজারিতে আজ আকাশ বাতাস বাজে,
পশুপাখিরা রক্তঅশ্রু ঝরিয়ে নিরবে বসে কাঁদে,
অথচ উদাসিন তোমরা জাতিসংঘের ফাঁদে!!
বড্ড কষ্ট বুকে বিঁধে।’

কিছুক্ষণ নিরবতার পর পুনরায় শব্দদের শীতল অভিযোগ….
’কষ্ট পেলে বুঝি,মার্জনা কর-
আমরা না হয় জন্ম জন্মান্তরে রাঙিয়ে যাব,
নাফ নদী বুকের রক্ত দিয়ে অকাতরে,
সিনেমার মুন্ডচ্ছেদের দৃশ্য দেখার মত-
তোমরা শুধু একটু হাসবে,
তাতেই আমাদের শান্তি।

তোমাদের কি-ই বা ক্ষতি হবে-
কারবালার রক্তস্নাত ফোরাতের রুপে,
আমাদের রক্তে যুগে যুগে শত শত নাফ বইলে!?’

 

সাঈদার জন্মদিনে-অরনী চৌধুরী

সাঈদার জন্মদিনে

received_390797071262353
অরনী চৌধুরী

ভূমিষ্ঠ হয়েছো তুমি
এ ধরণীর বুকে
আলোকিত করে পৃথিবীকে,
তুমি কোমল
তুমি নির্মল
তুমি সদা হাস্যোজ্জ্বল ,
এগিয়ে চলছো দুর্বার গতিতে
পিছু হাটনি কোন বাঁধাতে,
নারী উন্নয়নে সদা সচেষ্ট তুমি
তোমার কর্মের মাঝে আলোকিত তুমি,
ভালোবাসি তোমায় সকলের প্রিয় তুমি
জন্ম তোমার স্বার্থক জানি,
শুভ হোক তোমার প্রতিটি ক্ষণ
দিন ও রজনী সারাটি জীবন,
বেঁচে থাকো তুমি
আলোর পথে
সফল হও তুমি জীবনের
প্রতিটি চলার পথে,
জন্মদিনে এই কামনা
বেঁচে থকো তুমি
আলোর পথে সর্বদা ।

মায়াবিনীকে খুঁজছি-তামান্না রসুল

কবিতাঃমায়াবিনীকে খুঁজছি

15211682_1280142842058131_752879567_n
তামান্না রসুল
————————–

একটু শুনবেন….
আমি আপনাকেই বলছি,
মায়াবিনীকে খুঁজছি-
যদি দয়া করে ঠিকানাটা দেন।

না, বলবেন না….
আমি কাউকে কথা দিয়েছি,
বলুন মায়াবিনীকে-
কোথায় গেলে পাবো?
দেখতে শ্যামলা,হাসিমাখা মুখ তার,
কোন দিকে তার বাড়ি?
বললে কৃতজ্ঞ থাকবো…
আমি কাউকে কথা দিয়েছি!

আচ্ছা,আমি কি চিনি তাকে?
ধোত্তরি কি বলছি,আপনি কি চেনেন-
একটু শুনবেন….
আমি আপনাকেই বলছি।

মায়াবিনীর ঠিকানাটা,
আমার চাই,
বলুন না….’
কোথায় থাকে মায়াবিনী?
১০/১১/২০১৬

মেতেছে ওরা হত্যার নগ্ন উল্লাসে

মীরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগের কাউন্সিল সম্পন্ন সভাপতি রাশেল, ফরহাদ সাধারণ সম্পাদক

 

মীরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগের কাউন্সিল সম্পন্ন সভাপতি রাশেল, ফরহাদ সাধারণ সম্পাদক

15218742_1801678463420308_1495106492_n

মীরসরাই প্রতিনিধি, মো. তৌহিদুল ইসলাম : চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগের কাউন্সিল সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল শনিবার (২৬ নভেম্বর) সকালে ১০টায় প্রথম অধিবেশনে আলোচনা সভায় ও বিকেলে ২য় অধিবেশনে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।

কাউন্সিলদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রাশেল ইকবাল চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ফরহাদ হোসাইন। সকালে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি বখতিয়ার সাঈদ ইরান।

উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মাইনুর ইসলাম রানার সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক এমরান হোসেন সোহেলের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, গৃহায়ন ও গনপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক জসীম উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ আতাউর রহমান।
বিশেষ বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়ব।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক প্রদীপ চক্রবর্তি, নুরুল মোস্তফা মানিক, জহির উদ্দিন ইরান, সাংগঠনিক সম্পাদক এনায়েত হোসেন নয়ন প্রমুখ।
এসময় জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, কলেজ ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, একটি নাম, একটি বিস্ময়। যার রয়েছে বর্ণাঢ্য অতীত, রয়েছে ইতিহাস। দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন এই ছাত্রলীগ। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে শিক্ষা , শান্তি প্রগতির ধারক ও বাহক ছাত্রলীগ নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে আজকের দিন পর্যন্ত এগিয়ে এসেছে। অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে বিশ্বাসী এই ছাত্র সংগঠনটির মধ্য দিয়েই এদেশে অনেক গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সূচনা।
সম্মেলনের ২য় অধিবেশনে ১০১ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ৯৫ জন কাউন্সিলর তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এতে সর্বাধিক ভোট পেয়ে রাশেল ইকবাল চৌধুরী সভাপতি ও ফরহাদ হোসাইন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

মো. তৌহিদুল ইসলাম
মীরসরাই, চট্টগ্রাম

মুখোশধারী মানুষ-অরনী চৌধুরী

মুখোশধারী মানুষ

screenshot_2016-11-25-20-01-24-1

অরনী চৌধুরী 

অয়ন নীলার গভীর প্রেম । অসম্ভব ভালোবাসে অয়ন নীলাকে । অন্ধ প্রেম যাকে বলে । নীলাও অয়নকে ভালোবাসে । কিন্তু নীলা জানে তাদের কখনোই কোনদিনও বিয়ে হবে না কারণ নীলার বাবা কোনদিন মেনে নিবে না তাদের এ ভালোবাসাকে ।
কিন্তু তারপরও তারা একজন অন্যজনকে ছাড়া থাকতে পারে না । গভীর এক পবিত্র বন্ধনে জড়িয়ে আছে দু’জন ।
নীলা খুব ভালো গান গায় । অয়ন প্রতি রাতে নীলার গান না শুনে ঘুমায় না ।
গানের ক্লাসে নীলার পরিচয় হয় তানিশার সাথে । তানিশাও ভালো গান করে ।
দু’জনের মাঝে ভালো বন্ধুত্ব গড়ে উঠে।
নীলা অনেকদিন ভেবেছে তানিশাকে অয়নের কথা বলবে কিন্তু বলতে পারে না । তানিশাও নীলাকে মাঝেমাঝে কি যেন বলতে চায় কিন্তু বলতে পারে না ।
নীলার বাবা নীলার বিয়ের জন্য ছেলে খুঁজছেন । নীলার ব্যাপারটা ভালো লাগছে না । নীলা মোটেও চায় না এ মুহূর্তে তার বিয়ে হোক । কারণ সে চায় অয়নের আগে বিয়ে হোক তারপর সে বিয়ে করবে । কিন্তু অয়নের কাওকে পছন্দ নয় নীলাকে ছাড়া । সবসময় বলে সে নীলাকেই বিয়ে করবে আর না হয় কাউকে নয় ।
নীলার কষ্ট আরও বেড়ে যায় অয়নের জন্য কারণ এতো ভালোবাসা নীলাকে হয়তো আর কখনো কেউ বাসবে না ।
অয়নের জন্মদিন ৩০শে সেপ্টেম্বর । নীলার খুব ইচ্ছে দিনটা যেন স্মরণীয় হয়ে থাকুক অয়নের । আর তাই অয়নের জন্য তার পছন্দের কিছু বই কিনল আর কিছু ফুল।ঐদিন সকালে নীলা হাজির হলো অয়নের বাসায় ।
অয়নের বাসায় নীলা একবার এসেছিল অয়নকে পৌছে দিতে । সেদিন খালার মানে অয়নের মার নীলার সাথে অনেকক্ষণ কথা হয়েছিল । খুব ভালো মানুষ খালা ।
নীলা নীল রঙের শাড়ি পড়েছে আজ । অয়নের খুব পছন্দ । তার জন্মদিনে পড়ার জন্য কিনে দিয়েছিলো নীলাকে, একসাথে দ’জনে কোথাও ঘুরবে বলে । দরজায় কলিংবেল দিতেই অয়ন দরজা খুলল । নীলাকে দেখে অয়ন অনেক অবাক হলো । ভাবতেও পারেনি নীলা আসবে তার বাসায় ।
খালা ছিলো না বাসায়। সকালে ফোনে কথা হয়েছে খালার সাথে তিনি নীলাকে জানালেন অয়নের বিয়ের জন্য শাড়ি কিনতে যাচ্ছেন তিনি । কিন্তু অয়ন নীলাকে কিছুই জানায়নি এ ব্যপারে ।
নীলা বাসায় ঢুকেই দেখে অনেক ফুল । আর ভেতর থেকে তানিশার গলার মতো কারো আওয়াজ পেলো । ঠিক তাই তানিশার ই আওয়াজ । গান করছিল তানিশা। অনেক সুন্দর গানের গলা তার । ঘরে ঢুকতেই তানিশার গায়েও ঐ নীল রঙের শাড়ি পড়া দেখল তানিশা যা অয়ন নীলাকেও দিয়েছে । নীলা আর তানিশার আর বুঝতে বাকী থাকলো না যে অয়ন তাদের দু’জনের সাথেই একসাথে মিথ্যে ভালোবাসার অভিনয় করছে ।

গাজীপুর অক্সফোর্ড স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষার মান উন্নয়নে পরিচালক মিটিং

গাজীপুর অক্সফোর্ড স্কুল এন্ড কলেজে
শিক্ষার মান উন্নয়নে পরিচালক মিটিং

received_1924307637814139
২০১৭ শিক্ষা বর্ষে সকল শিক্ষার্থীদের লেখা-পড়ার মান বৃদ্ধি করণে ২৫ নভেম্বর শুক্রবার অক্সফোর্ড স্কুল এন্ড কলেজের সভা কক্ষে পরিচালক মন্ডলীদের নিয়ে ‘পরিচালক মিটিং’ অনুষ্ঠিত হয়।
অক্সফোর্ড স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এস.এম. হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল বারেক মোড়ল, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ গোলাম মোস্তফা, পরিচালক মোঃ তোবারক হোসেন রনি, মোঃ ওয়াজেদ আলী ও আনিছ-উর-রহমান প্রমূখ।
পরিচালক মিটিং এ শিক্ষার মান উন্নয়নে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিন্ধান্ত গ্রহণ এবং আগামী ২৭ ডিসেম্বর,২০১৬ খ্রীস্টাব্দ, বার্ষিক পরিক্ষার ফলাফল ঘোষণা, মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ, বিদ্যালয়ের ৬ বছর পূর্তিতে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদযাপনের সিন্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

প্রচেষ্টা ছাত্র পরিষদের ৪র্থ তম পতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত

প্রচেষ্টার ছাত্র পরিষদের ৪র্থ তম পতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত 

received_1800894610165360

মীরসরাই প্রতিনিধি,মো. তৌহিদুল ইসলামঃ চতুর্থ বছর পূর্ণ করলো এক ঝাঁক তরুণ উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে গঠিত সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রচেষ্টা ছাত্র পরিষদ। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে (২৪ নভেম্বর) মীরসরাই মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে জমজমাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সংগঠনের উদ্যোক্তরা। চতুর্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটেন উদ্যোক্তা ও অতিথিবৃন্দ। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর প্রথম পর্বে আলোচনা সভায় প্রচেষ্টা ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক জাফর ইকবালের সঞ্চালনায় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি অনুপ এ এস দাশ।
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মীরসরাই মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহি উদ্দিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মীরসরাই মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক, প্রচেষ্টা ছাত্র পরিষদের উপদেষ্টা হোছাইন সবুজ, মীরসরাই প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান পলাশ, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ন সম্পাদক রাজিব মজুমদার, যুগ্ন সম্পাদক ইলিয়াছ রিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ইউসুফ।
অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন প্রচেষ্টা ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রবিউল হোসেন পারভেজ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ এইচ সাগর, সাধারণ সম্পাদক রাজিব পাল, দপ্তর সম্পাদক পার্থ প্রতীম নাথ, পরিকল্পনা সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল তাশরিফ প্রমুখ। দ্বিতীয় পর্বে সংগঠনের কর্মীদের প্রত্যক্ষ ভোটে জাফর ইকবাল সভাপতি ও রাজিব পাল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়।

জাতিসংঘের মুখে কুলুপ হোসেন আলী নীল

রোহিঙ্গা ইস্যু : জাতিসংঘের মুখে কুলুপ

fb_img_1480092076058
হোসেন আলী নীল 

কি দোষ ওদের….? ওরা রোহিঙ্গা, ওরা মুসলিম ?
ওদেরও তো আছে বেঁচে থাকার অধিকার,
হেমন্তের বাতাসে খুঁজে নেবে স্বাদ-আল্হাদ,
ওরাও তো মানুষ……!
তবে কেন নিরব আজ বিশ্ব বিবেক,বিশ্ব জনতা,
বিশ্ব নেতাদের নেই বুঝি আজ কোন হুঁস……?
ওগো নাফ নদী……! তুমি আর কেঁদো না, কষ্টের চোরাবালীতে মানুষের রক্ত লুকানোর বৃথা চেষ্টা করো না….জেনে রেখ, তোমার কোমল দুগ্ধস্রোত পানিকে করেছে, নিষ্পাপের রক্তে রঞ্জিত লাল…….।
কেন…..?ওরাও তো মানুষ !
তবে কেন ? বিশ্ব নেতাদের নেই কারো আজ হুঁস…?
.
কেন আজ ওরা অসহায়, কেন পাশে নেই কেউ ;
আজ কেন শিশুকে আপনার বক্ষদুগ্ধ,
মাতৃদুগ্ধ পানরত অবস্থায় মৃত লাশ হতে হয়…..?
কেন পুড়তে হয় আগ্নেয়গীরীর অগ্নির মত__
মানুষের দেওয়া নিষ্ঠুর অভিমানী অনলে….
কেন মানবতা আজ লুন্ঠিত, বিবেক ধর্ষিত হয় ?
.
কেন নির্বিচারে আজ মানুষ হত্যা, অত্যাচার,
আজ কেন অসহায়, নিপীড়িত মানুষ…! কেন….?
ওদের পাশে এসে দাঁড়াবে অসুরে শক্তি হয়ে….
এই পৃথিবী নামের নিষ্ঠুর গ্রহে নেই কি কেউ….?
মিয়ানমারে রোহিঙ্গা……
আমার ভাই, আমার বোন, মরছে…..পুড়ছে…..
লাঞ্ছিত হচ্ছে, সম্ভ্রম হারাচ্ছে, উলঙ্গ করে নির্যাতনের স্টীম রুলার চালানো হচ্ছে,
ওদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে…..।
.
কোন অদৃশ্য কারনে এরা নিশ্চুপ, মুখ বুঝে সব সহ্য করে, মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে……ওরা মুক্তি নিচ্ছে, এই কলুষিত অত্যাচারী, নিষ্ঠুর নোংরা পৃথিবী থেকে……।
অথচ, জাতিসংঘের মুখে কুলুপ……..
পাশে নেই কেউ,প্রতিবাদী নেই কেউ……।
.
আজ কেন লুন্ঠিত মানবতা, পদদলিত ওদের ভাগ্য-আশা-নিরাশা….? আমি ভগবান বুকে এঁকে দিব ত্রিফলার রাজটিকা…….।
আমি আসব বাংলার ২য় নজরুল, সুকান্ত হয়ে…।
ওদের রক্ত চোষা বিষ দাঁত ভেঙে দিতে, স্বর্গ থেকে আনব শত্রুনাশের ত্রিফলা, শিব দেবতা হয়ে……।
.
আমি অত্যাচারীর ক্রন্দন দেখেছি, তাই তো শাসকের চোখে আমি চক্ষুশূল……।
রক্তচোষা, রক্তবর্ণ শাসকের চোখ……রাক্ষুসী ক্ষুধা তাদের, রক্ত চোষা শাসক বাহিনী, নরপিচাশ তাদের সংবিধান, রাক্ষসী হায়েনা চোখ, লক্ষ সূচীরা দাঁত কেলিয়ে হাসে অক্টোপাসের মতো…..রক্তচোষা নরপিচাশের মতো…..।
নিষ্পাপ, নিষ্প্রভ, ভীরু ভীরু শোষিতের চোখ……।
আমি অগ্নিবীণা বাঁজাব এবার বিঁষের বাঁশিতে……।
আমি তো বিদ্রোহী হয়েছি বন্ধী, আবারও বিদ্রোহী হয়ে, না হয় আরেকবার করব ভুল।
আমি এবার তাদের জন্য….. হব চক্ষুশূল ।।
.
আমি টর্ণেডো হয়ে, ভাসিয়ে দেব তাদের আরামপ্রিয়, বিলাসবহুল নন্দনকানন……।
স্বপ্নের টাইটানিক উল্টে দেব, মিথ্যের মেকি গণতন্ত্রের জোয়ারে…..আমি অত্যাচারের প্রাচীর ভাঙব, হেমন্তের নবান্নে ভরা কোন পূর্ণিমার জ্যোৎস্নার নীল রাতে…..জমকালো আড্ডায় আমি নির্ভীক, ত্রাস…..গুড়িয়ে দেব, পিচাশী নিষ্ঠুর, জল্লাদী, বিষাক্ত ঐ সকল মন ।
আজ আমি নিরব থাকবো না, দেখে কারো রক্তচক্ষু…..শুনবো না কারো বারণ ।
আমি ভাসিয়ে দেব, তাদের নন্দনকানন ।
২৫/১১/২০১৬ (ইং)_ চট্টগ্রাম ।

রোহিঙ্গা নামের মানুষগুলি-রওশন আরা রুশো

কবিতাঃরোহিঙ্গা নামের মানুষগুলি

fb_img_1480091517825
রওশন আরা রুশো

রোহিঙ্গা কি মানুষ নয়?
খুনিরা কি হীংস্র পশু নয়?
বিশ্ব কি মানবতা শুন্য নয়?
নিজের মনেই প্রশ্নগুলি জাগ্রত হয়।

বক্ষ মাঝে ওলট পালট কিযে,
মায়ানমার এর শক্ত মাটি নোনা রক্তে ভিজে।
নারী, শিশু, বৃদ্ধসহ
মারছে মানুষ অহরহ।
শান্তির দেশ কি জবাব দেবে?
গনহত্যার দায় কি নেবে?

নেবেনা, জানি নেবেনা।
সুচি শান্তির যোগ্য না।
নির্বিচারে মানুষ মেরে শেষ।
জাতিসংঘের তদম্ততে থাকবে তারই রেশ।
রোহিঙ্গারর বুক জ্বলছে আগুনে,
হায়েনারা আজ মত্ত ফাগুনে।
সেই হায়েনা মারতে হবে, আনতে হবে টেনে।
বিশ্ববাসীর দেখতে হবে, নিতে হবে মেনে।

জীবন নিয়ে বাচার আশে
ভাসছে পাশের দেশের পাশে।
হিন্দু-মসলিম-বৌদ্ধ-খৃষ্টান জানার কি প্রয়োজন?
বাচাতে মানুষ দাও হুুঙ্কার বিশ্বের সব জনগন।

২৪-১০-২০১৬খৃঃ
কলাবাগান, ঢাকা