Home / Abu Rayhan

Abu Rayhan

মেধাবী ছাত্র বিপু বাঁচলে দরিদ্র মায়ের স্বপ্ন বাঁচবে

নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানাধীন হীরাপুর গ্রামের হতদরিদ্র আবুল কাশেমের ছেলে মেহেদী হাসান (বিপু)।পিতা পেশায় একজন চা দোকানী।মেধাবী ছাত্র বিপু বর্তমানে তিতুমীর কলেজের সম্মান ১ম বর্ষের ছাত্র। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে ডাক্তার এর শরণাপন্ন হন বিপু। পরীক্ষা নিরীক্ষা পর জানতে পারে তার দুটো কিডনি ই অকেজো হয়ে গেছে। যতদ্রুত সম্ভব তার দেহে কিডনি প্রতিস্থাপন করা লাগবে।যার আনুমানিক ব্যয় হতে পারে ১৫ থেকে ১৮ লাখ টাকা।চিকিৎকের মতে যদি আপাতত একটি কিডনি ও প্রতিস্থাপন করা যায় তাতেও আল্লাহ্ রহমতে বেঁচে থাকার আশংকা থাকে। হতদরিদ্র পিতা দু’চােখ যাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেন আজ সে স্বপ্ন হারাতে চলছে। স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখতে পিতা আবুল কাশেম নিজের একটি একটি কিডনি দিতে রাজি হন। যার খরচ ও প্রায় ৭ থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু অসহায় পিতার পক্ষে এতোটাকা ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব নয় বলে,সমাজের প্রত্যেক শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন।বিশেষ করে যারা প্রবাসী আছেন তাদের কাছে অনুরোধ আপনাদের পরিশ্রমের অর্থের যতটুকু সম্ভব সাহায্য করে বিপুর জীবন বাঁচাতে সহায়তা করুন। বিশ্বাস রাখুন আল্লাহ্ র প্রতি আপনাদের দানের টাকা বিফলে যাবে না।হয়তো আমার, আপনার, আমাদের সবার দানে বাঁচতে পারে একটি তরতাজা প্রান। আমরা সবাই চাই বিপু আগের মতই আমাদের মাঝে ফিরে আসুক।

SAVE BIPU’S LIFE…..!!!!

মেধাবী ছাত্র বিপু বাঁচলে
দরিদ্র মায়ের স্বপ্ন বাঁচবে….!

বিপু’র জন্যে নাটুকে’র দর্শকনন্দিত কমেডি নাটক ” ঠাকুর ঘরে কে রে….!!!” ( প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্যে)
রচনা: মার্ক ক্যামোলতি , অনুবাদ ও
নির্মাণ : আল নোমান
১৭ জানু,’১৭, সন্ধ্যা ৭ টায়, স্টুডিও থিয়েটার এ
অগ্রিম টিকেট এর জন্যে করুন যোগাযোগ : 01681005856
COLLECT ticket in advance.
Enjoy NATUKAY’S POP COMEDY
THAKUR GHORE K RE( for adult only) SAVE BIPU’S LIFE

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানাঃ
Name =Abul Kashem.
A/c no:- 16421020029880.
Prime bank Ltd.
Pallabi Branch, Mirpur.
Mobile No: 01726873598
BKASH No: 01847176016 (জুয়েল) মাদ্রাসাবাড়ি।
প্রতিদিনের আপডেট জানতে
আমাদের সাথেও যোগাযোগ করতে পারেন।
বিপু’র বাবাঃ 01726873598
বাহারঃ 01818529572
তুষারঃ 01719906779
ওসমান গনিঃ 01684583751
তানভীরঃ 01811360723
রিফাতঃ 01677593630

কোথায় আমাদের স্বপ্নে দেখা সোনার বাংলাদেশ? : সাঈদ দেলোয়ার

আমরা আজ কোথায় বাস করছি? কোথায় আমাদের স্বপ্নে দেখা সোনার বাংলাদেশ? যেখানে নেই কোনো সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দেশের একজন সংসদ সদস্যের নিরাপত্তা, যেখানে অনায়াসে জীবন দিতে হচ্ছে দুষ্কৃতিকারীদের হাতে।
দেশের আইন শৃঙ্খলার এতোটাই অবনতি হয়েছে যে, যেখানে একজন সরকার দলীয় সাংসদের জীবন নিরাপদ নয় সেখানে সাধারণ মানুষের জীবন কি করে নিরাপদ আশা করা যায়? ভালো কিংবা মন্দ যাই হোক না কেনো প্রতিটি মানুষ-ই চায় তার জীবনের স্বাভাবিক মৃত্যু, কেউ এমন অস্বাভাবিক মৃত্যু কাম্য করে না। সরকার দলীয় এমপি লিটন দুষ্কৃতিকারীদের হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এমপি লিটনের নিহত হবার দায়ভার কে নিবে? পুঁলিশ না দেশের সরকার? পুলিশ কিংবা সরকার কেউ এই দায়ভার নিবে না! যেখানে পুলিশের ব্যর্থতার কারণে দায়ভার নেবার কথা সেখানে এম পি লিটনের হত্যাকে পুঁজি করে চলবে রাজনৈতিক ফায়দা লুটার প্রতিযোগিতা আর কাঁদা ছুড়াছুঁড়ি। আজ পুঁলিশের ব্যর্থতার কারণে দেশে চলছে হত্যা, ঘুম, চুরি, ছিনতাই আর মাদকের মত ভয়ংকর নেশার রমরমা উৎসব। এমপি লিটনের নিহত হবার দায়ভার পুলিশ হয়তো কিছু সাধারণ মানুষের উপর চাপিয়ে দিয়ে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে চাইবে, তাতে কি তারা নির্দোষ প্রমাণিত হবে? মনে হয় হবে না। কেনো না পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আজ দেশের মানুষের আস্থা একেবারে শূন্যের কোঠায়। আমরা জানি পুলিশ প্রশাসন হচ্ছে দেশের সাধারণ মানুষ গুলোর নিরাপত্তার ব্যারিকেড, বেঁচে থাকার আশার আলো। আসলে কি পুঁলিশ প্রশাসন দেশের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার ব্যারিকেড হিসেবে কাজ করছে? বর্তমানে দেশের বিভিন্ন থানার দিকে নজর দিলে দেখা যায় পুলিশ প্রশাসন নিরাপত্তার কাজ করছে না, তারা রমরমা ঘুষের ব্যানিজ্যে মেতে আছেন। তাদের এই ঘুষের বানিজ্যের শিকার হচ্ছেন পুলিশের কাছ থেকে সহায়তা নিতে আসা সাধারণ মানুষ গুলো। আজ পুলিশের দুর্বল ভুমিকার কারণে দেশের প্রতিটি এলাকায় চলছে মাদকের আরেক রমরমা ব্যবসা। ধ্বংস হচ্ছে আগামীর ভবিষ্যৎ যুব সমাজ। এলাকায় দাপটের সহিত মাদক ব্যবসায়ীরা ঘুড়ে বেড়াচ্ছে। যা সামাজিক ভাবে তাদের প্রতিহত করা সম্ভব নয়। যদিও দুই একজন মাধক ব্যবসায়ী কে সামাজিকভাবে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। আবার দেখা যায় কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাদের হস্তক্ষেপ বা পুলিশের কথিত কর্মকর্তাদের সাথে আঁতাত করে দুই একদিন পর তারা বের হয়ে আসে, মাদক ব্যবসায়ী ছাড়া পেয়ে-ই আবারও সক্রিয় হয়ে পড়ে মাদক ব্যবসায়। দেশের নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, চাঁদাবাজ মুক্ত নির্বিঘ্নে ব্যবসা বাণিজ্য করার সুযোগ সৃষ্টি করা পুঁলিশ প্রশাসনের নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করি। একটি দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কেনো থাকে? যাতে করে দেশে কোনো অরাজকতার সৃষ্টি না হয়। প্রায় দেখা যায় দুষ্কৃতিকারীরা মানব হত্যার মত জঘন্য অপরাধ করে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে যায়। আর সাধারণ মানুষ গুলো হয়ে পরে আতঙ্কিত। আসলে এখানে মনে করি সব চেয়ে বড় ব্যর্থতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের। যদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় কঠোর ভাবে পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণ করতো, তাহলে পুলিশ প্রশাসন এতোটা নিচে নেমে আসতে পারতো না। বিশেষ করে পুলিশ প্রশাসন এতোটা নিচে নামারও কিছু কারণ আছে! বাংলাদেশে যে সরকারই ক্ষমতায় আসে না কেনো, তারা পুলিশ প্রশাসনকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে থাকে, আর এই সুযোগে পুলিশ প্রশাসনের কিছু অসাধু ব্যক্তি সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা শুরু করে দেয়। শুরু করে রমরমা ঘুষ বানিজ্যের মত অপকর্মও। আমাদের মত সাধারণ মানুষের ভাবনা যদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঠোর ভাবে পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণ করেরে, সরকার যদি পুলিশ প্রশাসনকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করে, পুলিশ প্রশাসন তাদের নিয়ম মাফিক চলার সুযোগ পায় আর পুলিশ প্রশাসন তাদের দায়িত্বের উপর সচেষ্ট থাকে, তাহলে আমাদের বিশ্বাস দেশে একটিও অপকর্ম ঘটবে না, পাশাপাশি মাদক নামে কোনো শব্দ থাকবে না। আমরা ফিরে পাবো সুন্দর আগামী ভবিষ্যৎ, ফিরে পাবো স্বপ্নের সেই বাংলাদেশ। যে স্বপ্ন বুকে ধারণ করে ১৯৭১ সালে আমাদের দেশের বীর সেনারা দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলো। আমরা দেখতে চাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশ। আমরা সাধারণ জনগন চাই আমাদের আগামী প্রজন্মের জন্য সুন্দর একটি বাংলাদেশ। আমরা এই ভয়ংকর বাংলাদেশ দেখতে চাই না। যে বাংলাদেশ আমাদের নতুন প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিবে। ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত আর দুই লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে পাওয়া আমাদের বাংলাদেশ। আমাদের স্বপ্নে দেখা বাংলাদেশ তুমি ফিরে এসো আমাদের আগামী ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।

১৩, ১৪ তারিখ চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে ‘মানবিক উৎসব ও লোকজ মেলা’

মেহেদী হাসান, চট্টগ্রাম:
আগামী ১৩ ও ১৪ তারিখে চট্টগ্রাম শহরের আনন্দপিপাসু জনমানুষের বিনোদনের চাহিদা মেটাতে নগরীর ডিসি হিলে সামাজিক সংগঠন “মানবিক” আয়োজন করছে “মানবিক উৎসব ও লোকজ মেলা”।
মানবিক উৎসব ও লোকজ মেলায় থাকছে লোকজ সংস্কৃতির নানা উপাদান। হস্তশিল্প, মৃৎশিল্পের তৈজসপত্র, পোষাক, পিঠা, ম্যাজিক শপ, বই, প্রসাধনী পণ্য সহ নানা ধরনের স্টল। সকলকে আনন্দ দানের জন্য থাকছে পুতুল নাচ, সাপ খেলা, ম্যাজিক শো সহ বিভিন্ন খেলা ও প্রদর্শনী। প্রতিদিন বিকেলে বসবে লোকজ সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ ঐতিহ্যবাহী বাউলগান, কবিগান, ভাওয়াইয়াগান-ভাটিয়ালিগান, জারি-সারিগান, হাসনরাজার গান, লালনসঙ্গীত, উপজাতীয় সংস্কৃতি অনুষ্ঠান, ছড়া পাঠের আসর, পুঁথিপাঠ, লোকজ কবিতা পাঠের আসর ও আলোচনা অনুষ্ঠান ইত্যাদি। এছাড়া উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে চিত্রাংকন, আবৃত্তি, নৃত্য ও যেমন খুশি তেমন সাজ প্রতিযোগিতার আয়োজন। প্রতিযোগিতার ফরম চকবাজার, শাহেনশাহ মার্কেটস্থ “অজন্তা লাইব্রেরি”তে পাওয়া যাচ্ছে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে তহবিল সংগ্রহের জন্য প্রথমবারের মতো এই উদ্যোগ হাতে নিয়েছে সামাজিক সংগঠন “মানবিক”। মানবিক উৎসব ও লোকজ মেলা থেকে অর্জিত সকল মুনাফা মানবিক পরিচালিত তিনটি বিনাবেতনের স্কুলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানের জন্য ব্যয় করা হবে। দীর্ঘদিন থেকেই মানবিক সুবিধাবঞ্চিত অসহায় জনগোষ্ঠীর কল্যাণে নিরলস কাজ করে আসছে।

শীত রাতের চাঁদনীর অনুরাগে : নীলিমা শামীম

নবীন সৃষ্টির উৎল্লাসে আজ শীত রাতে করে তরনে
পাখিরা অমিলন হাসিতে শীত শিশিরের নত চরণে।।

চাঁদ ডেকে যায় কুয়াশার চাঁদনী পরশ মাখা চাদরে
শীতের রাতে কুয়াশার শিশিরে বৃক্ষরা ভালবাসে আদরে।।

উত্তিজিত কুয়াশার চাঁদ ঢাকা পড়ে যায় পূরনিমা রাতে
আবছা আলোতে ভাব করে বিচলিত কুয়াশার শীতে।।

আধো রাতে জোনাকি পোকার ঝি ঝি ডাকে ভরে কুয়াশা,
তুমি হীনা মন রহেনা আধো রাতে একা মন মাখানো আশা।।

দিগন্তের প্রান্ত ছুয়ে যায় তোমার আকাশ ছোয়া আশায়
তেপান্তর দ্বীপের অসীমতট ছড়াবে শীত ভালবাসা।।

শীতের শৈত্যপ্রবাহ দাহে রং ছড়াবে মন কুসুমে
মনের রং গুলো আকাশে দোলা দিবে নীলের অসীমে।।

চাঁদনি শীত রাতে আসো গো খুশির ঝড় বিচ্ছুরণে এই মনে
মোলায়েম চাঁদনীর অনুরাগে এসো গো ভালবাসার জোছনার আবরনে।।

দেহের আবেগে শীতের প্রানাস্পধনে মিশে যাই দুজন দুজনাতে
অযথা থেকোনা কভু ভুলে তুমি, রেখো অনুরাগের ছোঁয়াতে।।

বিভাজন : আবু রায়হান মিসবাহ

হিন্দু তোমার ডাকো ভগবান দাওয়াত করে কতক
ঈশ্বর-আল্লাহ্ ডেকো তাদেরও ময়দান ভরে উঠুক।
আরো ডাকো যে নামে ডেকে পূণ্য করেছ জড়;
জাতে জাতে হলো বিভাজন ডাকো তারপরেও।

নিন্দুক তবে পাপের ভবে মাটি দিব সব এই খানে
আন্ ডেকে- বল একে একে কে ছিলো বিভাজনে?
মানুষ আমরা সবে এক আদমের- হাওয়া পেলো পূর্ণতা
এত কাল শেষে প্রশ্নবানে পিষে ধর্মবিষ ঢেলে যথা তথা।

বল! এসব ছেলেখেলার ধর্ম-কর্মে কুচ নেহি পরওয়া
বল তুই ‘সব মিথ্যে বুলি’- ভন্ডের হাতে ধর্মের দাওয়া।
বল্ ধর্ম বলে নেই কিচ্ছু- অতিধার্মিকরাই ধর্ম চোর
নাস্তিক বলে নেই কিছু ঈশ্বর-ভগবান আমার-তোর!

বন্ধু ক্ষমা করো : আয়েশা ইছহাক

ধরেছে কবিতার নেশায়
ভুলেগেছি বন্ধু ।
কথা রাখা ,প্রেম প্রীতি
বিষাদের সিন্ধু ,
ভালোবাসার দায়বদ্ধতা ,
নেই কবিতায়
ডুব দাও,আপনাকে বিলীয়ে দাও,
ঠোঁট ছোঁয়া ,মন ছোঁয়া ,
সবই কবিতার বিশালতায়।
ভান নেই,নেই ছলাকলা ,
আদরে ভরিয়ে তোলা ,
কবিতার পাঠশালা ।
দেহ কর দান ,
হৃদয় প্রাণ ,
হবেনা কবিতার
অবসান ।
অনাকাঙ্খিত ,অতৃপ্ত মন
কবিতার পরশ আজীবন।
চন্দ্রমা ,নীল আকাশ ,
ওই দুর পর্বত চোরায়
পাবে কবিতার বিকাস ।
বিস্ময় শুকনো পাতায়
শব্দ লুকোনো হেথায় – সেথায় ।
চারিদিকে ভান্ডার বিমোহিত আঁখি ।
কবিতায় আছে প্রেম ,বন্ধুর প্রেমে ফাঁকি ।
পুঁজি অঞ্জলি ভরে কবিতা ,
বন্ধুর প্রণয়ে হয়ে রইলাম বঞ্চিতা।
সঞ্চিত প্রেমাকুলতা কবিতার জন্য
বন্ধু ক্ষমা করো ,আমি অতি নগণ্য ।
যদি কবিতা ভুলে যায় আমায়
আবার আসিবো ফিরে ,গ্রহণ করিও ক্ষমায়।
তোমার ছোঁয়ায় পুলকিত মন,
কবিতার ছোঁয়ায় শব্দ চয়ন ।
ভেবে দেখি কবিতা নিরাপদ
মন ভেঙ্গে যাওয়ার নেই কোনো বিপদ ।

মা এবং শীতের রাতের গল্প:অভিলাষ মাহমুদ

শীত বুড়ি সকলের আগে আমাকেই কাবু করার চেষ্টা করে ।
এ বছর শীত আমাকে এখনো কাবু করতে পরে নি ।
মায়ের কথাও মনে পড়ছে বেশ ।
এ সময় বাড়িতে থাকলে সারাদিন কাথা মুড়ি দিয়ে শুয়ে কাটাতাম ।
মা এসে এটা সেটা খাওয়াতে চায়তেন ।
আমি থাকতাম শীতের রাত নিয়ে একটা গল্প লেখার ধান্ধায় ।
মা বলতেন এভাবে কি সারা জীবন চলতে পারবি ?
আমি হ্যা না কোন প্রতি উত্তর দিতাম না দেখে মা খানিকটা কপট অভিমান করতেন ।
আমি যদি ঘন্টা খানেক বাদে মাকে জড়িয়ে ধরে কপালে চুমু দিতাম
তখন একটা মুচকি হেসে দিয়ে বলতেন তুই আমার অবুঝ পাগলা একটা ছেলে
তোর সাথে কি আমি অভিমান করে থাকতে পারি ?
তবে চিন্তা করি যে, আমি না থাকলে তোর কী হবে ? কে দেখবে তোকে?
আমি বলি, মা ! ও সব কথা বলো নাতো । যখন যা হবার তা হবে ।
তুমিও তো তোমার মায়ের খুব আদুরে কন্যা ছিলে । মা ছাড়া কিছু বুঝতে না ।
এক কদমও সামনে এগোতে না । সেই তোমার মা তোমাকে রেখে চলে গেলো না ফেরার দেশে ।
তুমি কি এখন তোমার মা ছাড়া আরেকটা সংসার করছো না ?
যেখানে এখন তুমি ‘মা’। আমাদের চার ভাই-বোন তোমার আদর-সোহাগে বেড়ে ওঠছে ।
শীত সইতে পারি না দেখে আমাকে নিয়ে তোমার কত ব্যাস্ততা !
সকালে হাতে- পায়ে সরিষার তেল মালিশ করে দেওয়া, গরম পানি দিয়ে গোসল করানো ।
শীত বুড়িটা যেন আমার পাশ ঘেঁসতে না পারে তার ব্যবস্থা করা।
নানান পিঠা তৈরি করে আমাদের পরিবেশন করা ছাড়া আরোও কত কী !
তুমিতো তোমার কথা ভাবো না তখন ।
তখন আমিও অতটা ভাবতাম না । এখন এই কর্ম জীবনে তা প্রতিনিয়তই অনুভব করছি ।
আচ্ছা মা … তুমি কি এখন আমার কথা ভাবছো?
আমি এই শীতে আমার কর্মস্থলে কীভাবে দিন যাপন করছি ?
থাক সে সব কথা । ভেবো না । তোমার দোয়ায় ভালো আছি বেশ। তুমিও ভালো থেকো মা ।

ভোরের টার্মিনাস : বৈজয়ন্ত রাহা

পড়ে নিচ্ছি পাখিদের মাতৃভাষা
গাছেদের ওম,
পড়ে নিচ্ছি প্রাচীরের সুবর্ণবিষাদ,
তুলে নিচ্ছি দুইহাতে তোমার তাচ্ছিল্যমধুর…
হ্রদের জলের মতো শান্ত জলোচ্ছ্বাস…
শহরের পথে পথে প্রেম দেখ সন্ন্যাসীর মতো উদাসীন,
সুচেতা…
শীত আসছে, তুমি ঠোঁট তুলবে না?

সকাল যে সন্ধ্যের মতো বাসটার্মিনাসে দাঁড়িয়ে…

অপেক্ষায়..

চাতক প্রাণ : রাজ পুরকায়স্থ

অভিমান অব্যাহত অবিশ্রান্ত
তোমার দুগালের টোল উপচে বেয়ে পরে ,,
জানালার কাচ আমার অঝোরতায় আবছা
বৃষ্টি বিন্দুগুলো রেখেযায় সমুদ্রস্বাদ।

যে দীঘির বালিয়ারীতে ছিল জোয়ার উত্তাল
শরীর সিক্ত প্রতিটি গোপন ভাঁজ
সেদিনও ঝরাত ভাস্কর্যের পৌরাণিক মদিরা ,,

ভাটার বিপথে আজ বিমুখতায় ছন্নছাড়া ।

অনিঃশেষ তেষ্টায় বিবর্ণ এ বুক
অভিমানী বৃষ্টির মুষল ছাট আর ছুঁয়ে যায়না।

গারদগুলোকে দুহাতে আকড়ে নির্বোধ জানালায়
অধীরতার আকাশে আমি চাতকি ভঙ্গিমায় ।

ভালোবাসার ফুল : সাজেদা রানী

বেচেঁ আছি বলে,অপেক্ষায় থাকি তোমার।
তুমি বুঝলেনা কত ভালোবাসি তোমাকে।
যেদিন আমি থাকবনা এ ভূবনে,
আমায় পাবেনা শত চেষ্টা করে।
কাদঁবে তুমি দু’নয়ন জলে।
বুঝবে তুমি আমাকে,খুঁজবে আমার ভালবাসা।
আমার স্মৃতি গুলো ক্ষণেক্ষণে পরবে তোমার মনে,
আমিতো শত চেষ্টা করেও পারলাম না
বেঁধে রাখতে তোমায়।
থাকব আমি তোমার ভালবাসার আশায়।
সুখে থাক তুমি এ পৃথিবীতে।
এটাই কামনা তোমার জন্যে।
আমার কথা যখন পরবে মনে, তখন আর পারবেনা আমায় ফিরাতে।
হয়তো তার আগেই হারিয়ে যাব সুদূর তেপান্তরে।
ইচ্ছে ছিল, তোমার স্পর্শে বহু দিন বাচঁবো এ পৃথিবীতে।
কিন্তু তুমি আমার জীবনটাকে নষ্ট করে
চলে গেলে, বিশ্বাস ঘাতকের মত করে।
কি ছিল আমার ভুল..?
ভেঙে দিলে জীবন-নদীর দু’কুল।
এপারে পারিনি ভাঙাতে তোমার ভুল,
ওপারে পাই যেন তোমার ভালবাসার ফুল।
আমি সব কিছু ভুলে গিয়ে, তোমায় নিয়ে
সাজাবো
আমার সুখের ঘর,
সেদিন আমায় করিও না পর,
সুখে-দুঃখে থেকো আমার পাশে।
পুনঃ কষ্ট দিও না ওপারে।
বাধতে চাই এমন একটি ঘর
যেথায় থাকবো দু’জন প্রেমের পরশে।